দুইশ বছরের ঐতিহ্যবাহি কুষ্টিয়া রেলষ্টেশনটির বেহাল দশা। ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা বাড়লেও সেবার মান বাড়েনি। নেই যাত্রী বিশ্রামাগার ও টয়লেট। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন এ স্টেশন ব্যবহারকারীরা। চুরি হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান সম্পদ। এর জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। এসব তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে অনিয়মিত অফিস করার অভিযোগ।
১৮৬২ সালে কলকাতার শিয়ালদহ থেকে কুষ্টিয়ার জগতী পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রথম রেললাইন চালু হয়। ১৮৬৮ সালে কুষ্টিয়া শহরে স্থাপিত হয় বড় রেলষ্টেশন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ ষ্টেশনে নেমে এর ঠিক সামনেই অবস্থিত টেগর লজে বিশ্রাম নিতেন।
এখানে চার লাইন রেললাইন, দুটি প্লাটফর্ম, ওভারব্রীজসহ পুরো রেলষ্টেশনটি লোহার রেলিং দিয়ে ঘেরা ছিল। কিন্তু এলাকার এক শ্রেণীর প্রভাবশালীরা তা চুরি করে নিয়ে গেছে। জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে রিক্স গ্যারেজ ও দোকান।
ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের নেই বসার জায়গা। নেই টয়লেট ও খাবার পানির ব্যবস্থা।
এসব দেখভালের জন্য রেলওয়ে বিভাগ লোক নিয়োগ দিলেও তার বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করার অভিযোগ অন্যান্য কর্মচারীদের।
ষ্টেশনের মালামাল চুরির কথা স্বীকার করে স্টেশন মাষ্টার জানান, ভবনটিও যে সময় ভেঙে পরতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব জানালেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
https://www.youtube.com/watch?v=YCl16C4ayWU