¡Sorpréndeme!

পর্যটকদের ভীড় বাড়ছে টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধী সৌধে

2016-03-11 1 Dailymotion

দেশের স্বাধীনতা ইতিহাস আর এর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি সন্ধানে দিন দিন দেশীয় পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে টুঙ্গীপাড়ার সমাধী সৌধে। ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে দর্শনীয় স্পটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্নস্থান থেকে হাজারো মানুষ ভীড় করছে এখানে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কিছু বিপথগামী সেনা অভিসারের হাতে স্বপরিবারে নিহত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে টুঙ্গীপাড়ায় তার বাবা-মা’র কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
এরপর বাংলার ইতিহাসের পট পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালে ৩৮ একর জমির উপর বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ নির্মানের কাজ শুরু হয়। ৩শ ৯২ বর্গমিটারের সমাধি সৌধটি অবস্থিত ২ হাজার ২শ ২৮ বর্গমিটার সমাধি কমপ্লেক্সে।
গ্রীক স্থাপত্য শিল্পের আদলে লাল সিরামিক ইট আর সাদা কালো টাইলসের সমন্বয়ে নির্মিত সৌধে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বেদনা আর শোকের অনুরণের চিত্র।
স্থাপত্য নকশা অনুযায়ী জাদুঘরটি দুই ধারায় বিভক্ত। এর একটি কোর্ট স্পিরিটুয়াল অপরটি কোর্ট পাবলিক। কোর্ট স্পিরিচুয়ালে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর কবরস্থান, প্রশাসনিক ভবন, লাউঞ্জ ও ঝর্ণা। আর কোর্ট পাবলিকে বঙ্গবন্ধুর জাদুঘর, পাঠাগার ও থিয়েটার সেন্টার।
কেন ভিড় ইতিহাসের অংশ এই সমাধিস্থলে? এমন প্রশ্নের উত্তরে দর্শনার্থীরা জানান....
শুধু বড়দের জন্যই নয় এই সমাধিস্থলে রয়েছে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থাও। সেই শিশু রাসেল যে শৈশবের আনন্দ উপভোগের আগেই ক্ষমতার লিপ্সুদের লেলিয়ে দেয়া হায়নাদের বুলেটের আঘাতে প্রাণ হারান তার নামে পার্কটির নাম রাখা হয়েছে শেখ রাসেল পৌর পার্ক।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।